যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

সাংবাদিকদের ছত্রছায়ায় সাভারে গড়ে উঠেছে অবৈধ সিসা কারখানা।

সাংবাদিকদের ছত্রছায়ায় সাভারে গড়ে উঠেছে অবৈধ সিসা কারখানা।

 

মোঃআরমান হোসেন

সমাজের চোখ যখন অন্ধ হয়ে যায় তখন সমাজ কি চোখে দেখতে পায়? সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। যাদেরকে জাতির বিবেক বলা হয়। সম্মানজনক পেশাকে পুঁজি করে কিছু সুবিধাবাদী লোক সমাজে অবৈধ কার্যকলাপের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। যার ফলে সম্মানজনক পেশাটি দিন দিন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তেমনিই দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের পরিচয়ে জিয়া ও আরজু দুই ভাইয়ের সেলটারে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় অবৈধ সিসা কারখানা পরিচালিত হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সাভারের আমিন বাজার সালেপুর ব্রিজ সংলগ্ন আবসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ শিশা কারখানা। যেখানে ব্যাটারি ভেঙে এসিড ফেলা হয়। পরিবেশের তোয়াক্কা না করে যেখানে সেখানে ফেলে রাখা হচ্ছে এই এসিড। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আবাদি জমি সহ স্থানীয় বাসিন্দারা। সিসা কারখানার পার্শ্ববর্তী রাস্তা দিয়ে চলাচল করে কোমলমতি শিশু সহ এলাকার হাজারো স্থানীয় লোকজন। স্থানীয়রা দুই ভাইয়ের ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনা। এই অবৈধ সীসা কারখানার কারণে এলাকায় দেখা দিয়েছে নানা ধরনের রোগ। বিশেষ করে শিশু ও গবাদি পশুপাখি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, এ এসিড এতটাই মারাত্মক যে ঘাসের উপর পড়লে সেই ঘাস কোন পশুকে খেতে দেওয়া যায় না। কোন গবাদি পশু যদি এ ঘাস খায় তাহলে গবাদি পশু সাথে সাথেই মারা যাবে। তারা আরো বলেন, এই সিসা ফ্যাক্টরির কারণে কোন প্রকার শাকসবজি বা অন্যান্য ফসলাদি এখানে উৎপাদন করা যায় না। বীজ রোপন করার সাথে সাথেই সেই বীজ নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে এই এলাকার মানুষজন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিসা পোড়ানোর সময় যে পরিমাণ বিষাক্ত কাল ধোয়া বাতাসের সাথে মিশে বায়ু দূষণ করে তা পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এই সিসা পুড়ানোর জন্য কিছুদিন আগে ভাকুর্তা এলাকায় একটি গরুর ফার্মে একসঙ্গে চারটি গরু মারা যায়।

সাভারের আমিন বাজার সালেপুর এলাকায় অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, একাধিক অবৈধ সীসা কারখানা রয়েছে। একটি কারখানায় প্রবেশ করলে দেখা যায় শ্রমিকরা নিজেদের সুরক্ষার সরঞ্জাম না পড়ে বিপদজনক পরিবেশে ব্যাটারি থেকে সিসা বের করছে। অন্যদিকে আরেকদল শ্রমিক সেই সিসা গুলোকে অন্য আরেক সাইডে নিয়ে যাচ্ছে যেগুলো রাতের আধারে পুরানো হবে।

এসময় কারখানার ম্যানেজার এসে সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা এখানে কেন প্রবেশ করছেন? এ কারখানার মালিক কে জানেন? তখন মালিকের নাম জানতে চাইলে বলেন এটি মোহনা টিভির জিয়া ও আরজু ভাইয়ের কারখানা। একজন সাংবাদিক হয়ে কিভাব অবৈধ কারখানা পরিচালনা করতে পারে? এমন প্রশ্ন করলে তখন কারখানার ম্যানেজার মুঠোফোন সাংবাদিক জিয়া সাহেবের সাথে কথা বলিয়ে দেন।

মুটোফোনে কথা বললে ওপার থেকে পরিচয় দেন আমি মোহনা টিভির জিয়া বলছিলাম আপনারা ওই খানে কেন গিয়েছেন? উত্তরে বললাম আমরা তথ্য সংগ্রহ করতে আসছি তখন তিনি সাংবাদিকদের বলেন আপনারা এখান থেকে চলে যান। আমি পরে আপনাদের সাথে যোগাযোগ করবো।

কারখানার কয়েকজন শ্রমিকের সাথে কথা বললে তারা জানান, সাংবাদিক জিয়া এবং আরজু ভাইয়ের ও এখানে কারখানা আছে। এছাড়া আরো যে কারখানা গুলো রয়েছে সেগুলোর থেকে মানতি-মসোয়ার পায় তারা। তারা আরো জানান, কারখানা চলতে হলে তাদের দুই ভাইকে মানতি-মসোয়ারা দিতে হয়। প্রশাসন আসলে তারা দুই ভাই সমাধান করে দেয় যার কারণে প্রশাসন এখানে অভিযান করতে আসেনা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com